২০১৮ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন আমেরিকার টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জেমস আ্যলিসান ও জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক তাসুকু হোনজো। এ দুজন বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেছেন দেহের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে ক্যান্সার নিরাময় করা যায়। বিজ্ঞানীদ্বয় দুটি প্রোটিন (সিটিএলএ-৪ ও পিডি-১)) শনাক্ত করেছেন যেগুলো দেহের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রতিরোধ করে। তাঁরা একটি ড্রাগ ফমূলা বানিয়েছেন যেটি এ প্রোটিনদ্বয় এর কার্যকারীতা নিষ্ক্রিয় করতে পারে। এ আবিষ্কারের জন্য তাাঁরা ১০লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার পাবেন। যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৯ কোটি টাকারও উপরে।
বিজ্ঞানিরা যে দুটি প্রোটিন (সিটিএলএ-৪ ও পিডি-১) সনাক্ত করেছেন এ প্রোটিনদ্বয় দেহেই তৈরি করে দেহের প্রয়োজনে। মানব দেহে এ ধরনের প্রায় ৭০ মিলিয়ন প্রোটিন তৈরি হয়। দেহের সকল জৈবরাসায়নিক কাজ এ প্রোটিনের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। উক্ত প্রোটিনদ্বয় এর কাজ হচ্ছে (এ ধরনের আরও প্রোটিন আছে।) দেহের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা। এবং এ কাজটি সময়মত না করলে দেহের কার্যরত ইমি্উন সিসটেম দেহ কোষকেই আক্রমন করে এবং দেহ কোষকেই ধ্বংশ করে দিতে পারে। আর এ ধরনের রোগকেই ‘অটোইমিউন ডিজিজ ‘ বলে। অর্থাৎ অটোইমিউন ডিজিজ এর কারন হচ্ছে এ প্রোটিনদ্বয়ের নিষ্ক্রিয়তা । এ প্রোটিনদ্বয়ের কার্যকরীতাকে ড্রাগের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় রেখে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অপ্রতিরোধ্য করার মাধ্যমে ক্যান্সার কোষ ধ্বংশ করা সম্ভব বলে তারা গবেষনার মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। আর এ জন্য ২০১৮ সালের চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন এ দু বিজ্ঞানি।
বিজ্ঞানীরা দেহের প্রানরাসায়নিক কৌশলের উপর আঘাত করে নোবেল জিতেছেন। দেহের এ প্রানরাসায়নিক সিসটেমকে বলে ‘ইমিউন চেকিং রেগুলেটর”। দেহ নিজস্ব ব্যবস্থায় এ সিসটেম নিয়ন্ত্রন করে। কিছু প্রোটিন আছে যে গুলি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কার্যক্ষম করে আবার কিছু প্রোটিন আছে যে সে গুলো প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সময়মত নিষ্ক্রিয় করে। এভাবেই দেহের রোগ প্রতিরোধ সিসটেম কার্যকর থাকে। বিজ্ঞানিরা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিষ্ক্রিয়কারী প্রোটিনকে ড্রাগ দিয়ে নিষক্রিয় রাখার কৌশল আবিষ্কার করেছেন। যা অটোইমিউন ডিজিজ এর জন্ম দেবে যা দেহে ক্যান্সার এর চেয়েও ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে।
সঠিক প্রাকৃতিক পুষ্টি ব্যবস্থাপনা ও প্রাকৃতিক জীবনাচারের মাধ্যমে দেহকে ক্যান্সার মুক্ত করা সম্ভব। স্বুস্থ্য সবল দেহ কোষ ৭০ মিলিয়ন প্রোটিন তৈরির ক্ষমতা রাখে। সঠিক প্রাকৃতিক পুষ্টি ব্যবস্থাপনা পেলে দেহ কোষ তার প্রাকৃতিক নির্দেশনাও সঠিক ভাবে পালন করে। প্রোটিন তৈরি ও তাকে দিয়ে তার কাজ করানো এটি দেহ কোষের কাজ। বাইরের কোন নির্দেষনা দিয়ে দেহ কোষের কাজ কে নিয়ন্ত্রন করে নোবেল পাওয়া যায় কিন্তু রোগ মুক্ত জীবন দেয়া যায় না।
S Factor একটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার এবং বিভিন্ন ফলের নির্যাস থেকে
যা ন্যানোটেকনোলজি এ্যাপ্লাই করে শুধুমাত্র ফলের নির্যাস টুকুই পাউডার ফরমেটে আনা হয়েছে।
আপনি যদি আপনার শরীরের কোষের সকল ধরনের পুষ্টি দিতে চান এবং দীর্ঘদিন সুস্থ থাকতে চান তাহলে নিয়মিত S Factor সেবন করুন।
শরীরের কোষের সকল ধরনের পুষ্টির চাহিদা S Factor পূরণ করবে।
প্রয়োজনে- 01331760738, 01831763035,
মূল্যঃ 50$

Reviews
There are no reviews yet.